ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইবি উপাচার্যের সঙ্গে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৯-০২ ২০:০১:৩৫
ইবি উপাচার্যের সঙ্গে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইবি উপাচার্যের সঙ্গে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ইবি প্রতিনিধি


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণ এবং অ্যালামনাইদের একটি ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্মে আনার বিষয়ে আলোচনা হয়। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।



উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক . কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী। এছাড়া অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হাই-সহ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ। সাক্ষাৎকালে অ্যালামনাই নেতৃবৃন্দ উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষকে সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এসময় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে শতভাগ সহযোগিতার পাশাপাশি একাডেমিক মান নিশ্চিত করে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ আবাসন ও পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণ, শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কমিটিতে অন্তত একজন অ্যালামনাই প্রতিনিধি রাখা এবং অ্যালামনাইদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হাই বলেন, “অ্যালামনাই হিসেবে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে শতভাগ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। হাতে গোনা কয়েকজন বিরোধিতা করলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ পাশে থাকলে কোনো অপচেষ্টা সফল হবে না।

অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনকে এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসার বিষয়ে উপাচার্যকে লিখিত ও জোরালোভাবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তিনি এগিয়ে এলে আমাদের সহযোগিতায় উদ্যোগ সফল হবে।আমরা সিংহভাগ শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্ব করি। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করলে এ জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নে কোনো বাধা থাকার কথা নয়।” অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী ১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ইসলামি শিক্ষার সমন্বয়ের যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও আইন প্রণয়ন করেছিলেন, সেই মূল ভাবধারা অক্ষুণ্ণ রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উপাচার্যকে ক্যাম্পাসকে সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়। সৌজন্য সাক্ষাতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য শুধু পাঠদান নয়, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও গবেষণার প্রসার ঘটানো। শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা ও নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী ৫ সেপ্টেম্বর চীনা ভাষা শিক্ষার মধ্য দিয়ে ‘আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট’ ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে। ইসলামি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়কে বিশ্ববিদ্যালয়ের


অন্যতম লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে ইসলামি মূল্যবোধের সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে অ্যালামনাইদের একক প্ল্যাটফর্মে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।


নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ